মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোটে কোন বাধা নেই ।। In the United States, there is no barrier to postal voting

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোটে কোন বাধা নেই
In the United States, there is no barrier to postal voting

In the United States, there is no barrier to postal voting
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোটে কোন বাধা নেই
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেখানকার নির্বাচনে ডাকযোগে আগাম ভোট সীমিত করতে চেয়ে ছিলেন । কিন্তু তাকে থামিয়ে দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত । আদালতের রায় অনুযায়ী ডাকযোগের মাধ্যমে আগাম ভোট দেওয়াতে কোনো বাধা নেই । ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেক আগে থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন যে ডাকযোগে ভোট দিলে কারচুপি হওয়ার সুযোগ রয়েছে । বিশেষ করে পেনসিলভেনিয়াতে ডাকযোগে ভোট প্রদানের সুযোগ সীমিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার দল রিপাবলিকান এর কর্মীরা । কিন্তু তাদের অভিযোগ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে স্থান পেল না ।

পেনসিলভেনিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে “সুইং স্টেট” বলে খ্যাত । মানে ওইসব অঙ্গরাজ্যে কোন দলেরই একক আধিপত্য নেই । অর্থাৎ সেখানকার নির্বাচনী লড়াই বেশ জমে ওঠে । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনী কৌশল হিসেবে পেনসিলভেনিয়াতে ডাক যোগের মাধ্যমে আগাম ভোট ঠেকাতে নানা রকম অভিযোগ তুলেছিলেন । ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণা গুলোতে বারবার উল্লেখ করেছেন, ডাকযোগে এর ভোটারের স্বাক্ষর গরমিল থাকা ও ভোটারের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পরীক্ষা করার ব্যাপারে আরও কঠোর হতে । এছাড়া ড্রপবক্সে অব্যবহৃত ব্যালট ফেরত পাঠানোর বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প । তিনি অভিযোগ করেছেন এভাবে ব্যালট ফেরত পাঠাতে গেলে ব্যালটের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকে না ।

সব অভিযোগ পর্যালোচনা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের বিচারক মহোদয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপক্ষেই রায় দিয়েছেন । ভোটাররা আগের মতোই ড্রপবক্সে ব্যালট ফেরত পাঠাতে পারবেন । এই রায়ের ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ধরনের পরাজয় হয়েছে ধরে নেওয়া যায় । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ব্যাটেল গ্রাউন্ড স্টেট বলে খ্যাত পেনসিলভেনিয়ার ভোটাররা এই রায় অত্যন্ত খুশি হয়েছেন । করোনা ভাইরাস মহামারীতে অধিকাংশ ভোটাররাই ঘরে বসে ডাকযোগের মাধ্যমে ভোট দিতে আগ্রহী ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনা ভাইরাস সংক্রমমিত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ফিরে প্রথম জনসম্মুখে উপস্থিত হয়েছেন । স্থানীয় সময় শনিবার সকালে হোয়াইট হাউজের বারান্দা থেকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সোশালিস্টদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন । হোয়াইট হাউসের বারান্দা থেকে প্রায় ১৫ মিনিট বক্তব্য দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে বর্ণবাদ বিরোধী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ এর সমালোচনা করেন এবং অভিযোগ করেন ডেমোক্রেটরা নাগরিক সহিংসতা সমর্থন করছে । ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষায় হোয়াইট হাউজের ওই সমাবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও আইন-শৃংখলার সমাবেশ ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ ভোটারদের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থন হারাচ্ছেন । অতি সম্প্রতি রয়টার্স ও ইপসোসের একটি জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে । করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এবং মৃত্যুতে দেশটির বিপর্যস্ত অবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বয়স্করা সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে, সে ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের কারণে ভোটারদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন কমে যাচ্ছে । জরিপের তথ্য অনুযায়ী বলা হয়, প্রবীণ ভোটাররা মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় রিপাবলিকান পার্টির সমর্থনের একটি মূল ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে । ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজের যাত্রায় সহায়তা করেছিল এই সমস্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের ভোটের মাধ্যমেই ।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের আপত্তির কারণে বাতিল হলো দ্বিতীয় বিতর্ক ।। The second debate was canceled due to Trump's objections

No comments

Please do not enter any spam link in the comment box.

Powered by Blogger.